সার্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে ইসরায়েল দূতাবাসের প্রহরীকে ছুরিকাঘাত করার পর পুলিশের গুলিতে এক ‘অপ্রাপ্তবয়স্ক' হামলাকারী নিহত হয়েছে। সার্বিয়া র স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইভিকা দাচিচ জানান, এ ঘটনার পর পুলিশ সর্বোচ্চ সন্ত্রাসবিরোধী সতর্কতা জারি করেছে। কর্তৃপক্ষ জানায়, দূতাবাসের বাইরে এক প্রহরীর ওপর ছুরি হাতে হামলা চালানো হয়। হামলায় ওই প্রহরী সামান্য আহত হন৷ ছুরি হাতে হামলার পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে হামলাকারীকে গুলি করা হলে সে নিহত হয়।
সার্বিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইভিকা দাচিচ জানান, হামলাকারী অপ্রাপ্তবয়স্ক। নিরাপত্তা সংস্থা তাকে সন্ত্রাসী সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এর সমর্থক হিসেবে আগে থেকেই নজরে রেখেছিল। তিনি আরো জানান, হামলাকারী সার্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর সাবাত-এর বাসিন্দা বলে ধারণা করা হচ্ছে। সে তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ইসলামিক স্টেট-এর সমর্থনে একটি কালো পতাকা প্রদর্শন করেছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি৷ ইভিকা দাচিচ জানান, প্রহরীর ওপর হামলার সময় হামলাকারী ‘আল্লাহু আকবার' বলে চিৎকার করছিল।
দাচিচের ভাষ্য অনুযায়ী, আত্মরক্ষার্থেই প্রহরী হামলাকারীকে গুলি করে হত্যা করেন। পুলিশ এ ঘটনাকে সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে দেখছে এবং সন্ত্রাসবিরোধী সতর্কতার মাত্রা সর্বোচ্চ, অর্থাৎ 'রেড অ্যালার্ট'-এ উন্নীত করা হয়েছে জানিয়ে সার্বিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, ‘‘এর অর্থ হলো, যেসব গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে লোকসমাগম বেশি হয়, সেসব সংবেদনশীল স্থানে নিরাপত্তা তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে এবং পুলিশের উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে।'' এর আগে ২০২৪ সালের জুন মাসে বেলগ্রেডে ইসরায়েল দূতাবাসে পাহারারত সার্বীয় এক পুলিশ কর্মকর্তাকে ক্রসবো (ধনুক-সদৃশ অস্ত্র) দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করা হয়৷ সেই হামলাকারীও পরে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। জানা গেছে, বেলগ্রেডের পাশের একটি গ্রামের বাসিন্দা ২৫ বছর বয়সি সেই হামলাকারী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন এবং তিনি উগ্র মতাদর্শে দীক্ষিত ছিলেন। এসিবি/ এডিকে (রয়টার্স, এপি, এএফপি, ডিপিএ)


পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য সরাসরি প্রকাশিত হবে। অনুপযুক্ত মন্তব্য প্রশাসক সরিয়ে দিতে পারেন। ব্যক্তিগত বা গোপন তথ্য লিখবেন না।
এখনো কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মন্তব্যটি লিখুন।
মন্তব্য লিখুন