মানবাধিকার সংস্থাগুলোর আপত্তি সত্ত্বেও ছিটমহল সেউটা থেকে সাব-সাহারান আফ্রিকা ও এশিয়ার অন্তত ১৬ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে মরক্কোয় ফেরত পাঠিয়েছে স্পেন। আশ্রয়ের আবেদন নাকচ হওয়ার পর তাদের ফেরত পাঠানো হয়৷ জুলাই মাসে সীমান্ত অতিক্রম করে বিপুল সংখ্যক মানুষ সেউটায় প্রবেশ করার পর, এই প্রথম সেখান থেকে আশ্রয়প্রার্থীদের ফেরত পাঠানো হলো৷ স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মরক্কো তাদের গ্রহণ করতে সম্মত হওয়ার পর এই দলটিকে সেখানে ফেরত পাঠানো হয়েছে৷ এখন তারা মরক্কোর ভূখণ্ডে অবস্থান করছে বলেও মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। কতজনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে সে বিষয়ে মন্ত্রণালয় সরাসরি কিছু জানায়নি৷ তবে সেউটায় কর্মরত অভিবাসী ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো জানিয়েছে, সেনেগাল, নাইজেরিয়া, ইয়েমেন, ক্যামেরুন ও বাংলাদেশের ১৬ জন নাগরিককে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের গবেষক ভার্জিনিয়া আলভারেজ স্পেনের এই অবস্থানকে ‘ভণ্ডামি' আখ্যা দিয়ে বলেছেন, ‘‘ইউরোপে প্রগতিশীলতার কথা বললেও স্পেন সেউটা ও মেলিলা সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করা ব্যক্তিদের মানবাধিকার নিশ্চিত করছে না। মরক্কোয় অনেক মানবাধিকারই লঙ্ঘিত হয়।'' জুলাই মাসে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে প্রায় ৮০ হাজার মানুষ মরক্কো থেকে স্পেনের ছোট ছিটমহল ওই ৮০ হাজারের অধিকাংশই কয়েক দিনের মধ্যে মরক্কোয় ফিরে গেলেও অনেক মানুষ এখনো সেখানে বাস করছেন। আগামী ২৯ নভেম্বর স্পেনে নির্বাচন৷ তার আগে সেউটা-সংকট সমাধানের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং দেশের ক্ষুব্ধ জনগণের চাপের মুখে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের সরকার৷ এসিবি/ এডিকে (রয়টার্স)