সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে সুপারিশ পাওয়ার পরও অনিশ্চয়তায় পড়েছেন শত শত প্রার্থী। গত বৃহস্পতিবার বিভিন্ন জেলায় নিয়োগপত্র দেওয়া শুরু হয়, তবে অনেক প্রার্থীর চূড়ান্ত ফলাফলে নাম এলেও পাননি নিয়োগপত্র। তারা ভেরিফিকেশনের কারণে নিয়োগপত্র পাননি বলে ধারণা করলেও সুনির্দিষ্ট কারণ জানেন না। নিয়োগপত্র না পাওয়ার কারণ হিসেবে কয়েকজন প্রার্থী এনএসআই ও ডিএসবি যাচাইয়ের 'নেতিবাচক' প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করেছেন।

বিভিন্ন জেলার প্রার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে অন্তত ২৭ জেলায় প্রায় ৮০০ জনের তথ্য পাওয়া গেছে; যারা নিয়োগপত্র হাতে পাননি। অন্য জেলাগুলো থেকেও নিয়োগপত্র না পাওয়ার অভিযোগ আসছে। বিষয়টিকে এখনই নিয়োগ থেকে বাদ পড়া হিসেবে দেখছে না প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। সংস্থাটির মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী জানান, নিয়োগপত্র ডাকযোগে পাঠানো হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় চিঠি পৌঁছাতে সময় লাগতে পারে।

নির্দিষ্ট কোনো প্রার্থী বাদ পড়েছেন এমন তথ্য তার কাছে আসেনি এবং কোনো প্রার্থীর বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা যেতে পারে, তা বললেন শাহীনা ফেরদৗসী।