এ বছর অল্টারনেটিভ নোবেল পাচ্ছেন দুই নারী জলিলা হায়দার এবং টিমনিট গেব্রু৷ এছাড়া দুটি সংস্থাকেও দেয়া হবে এই পুরস্কার৷ পাকিস্তানের মানবাধিকার আইনজীবী জলিলা হায়দার এবং যুক্তরাষ্ট্রের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ক গবেষক টিমনিট গেব্রুর সঙ্গে পুরস্কারটি ভাগাভাগি করবে আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের রুরাল উইমেন্স অ্যাসেম্বলি এবং জর্জিয়ার ইয়াং লইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন৷ বরাবরের মতো এ বছরও অল্টারনেটিভ নোবেল পুরস্কার দিচ্ছে অলাভজনক, অরাজনৈতিক সংস্থা রাইট লাইভলিহুড ফাউন্ডেশন৷

সারা বিশ্বে শান্তি, ন্যায়বিচার ও টেকসই পরিবেশ নিশ্চিতের লক্ষ্যে কাজ করা সংস্থাটি পুরস্কারের জন্য মনোনীত দুই নারী এবং দুই নারী অধিকার বিষয়ক সম্পর্কে এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘‘তাদের কাজের মধ্যে একটা সাধারণ যোগসূত্র রয়েছে, আর তা হলো, প্রত্যেকেই এমন সব ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে যা মানুষকে প্রান্তিক অবস্থানে ঠেলে দেয়৷'' রাইট লাইভলিহুড ফাউন্ডেশন আরো জানিয়েছে, এবার ৭২টি দেশের ২০০ প্রার্থী ছিল৷ তাদের মধ্য থেকে চার বিজয়ীকে বেছে নেয়া হয়েছে৷

যুক্তরাষ্ট্রের এআই বিষয়ক গবেষক টিমনিট গেব্রু এক সময় গুগলেও গবেষক হিসেবে কাজ করেছেন৷ এখন মূলত বৃহৎ এআই মডেলগুলোর ঝুঁকির বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করেন এবং এই প্রযুক্তির বিকাশে যে অসমতা ও ক্ষমতার যে কেন্দ্রীকরণ চলছে তার বিরোধিতা করেন৷ জলিলা হায়দার পাকিস্তানের হাজারা সম্প্রদায়ের প্রথম নারী আইনজীবী৷ বেলুচিস্তান প্রদেশে জাতিগত সংখ্যালঘুদের প্রতি বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার, সক্রিয় তিনি৷

রুরাল উইমেনস অ্যাসেম্বলি আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের ১১টি দেশের ১ লাখ ৭৮ হাজারেরও বেশি ক্ষুদ্র কৃষকের প্রতিনিধিত্ব করে৷ তাদের মূল কাজ ভূমি, বীজ ও নিজের শরীরের ওপর নারীর অধিকারের পক্ষে প্রচার চালানো৷ অল্টারনেটিভ নোবেল-এর জন্য মনোনীত আরেক সংস্থা ইয়াং লইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন জর্জিয়ায় স্বৈরাচারী দমন-পীড়নের বিরোধিতা করে গণতন্ত্র ও সুশীল সমাজ রক্ষায় ভূমিকা রাখে৷ আগামী ১ ডিসেম্বর সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হবে৷ এসিবি/ জেডএইচ (ডিপিএ, এপি, এএফপি)