আঞ্চলিক নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের পর চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ ম্যার্ৎসের নেতৃত্বাধীন জোট সরকারে আরেক ধাক্কা৷ গতকাল সোমবার পদত্যাগ করেছেন জার্মানি র শ্রমমন্ত্রী এবং মধ্য-বামপন্থি সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট (এসপিডি) দলের সহ-প্রধান বারবেল বাস৷ জোটে অনৈক্যের ইঙ্গিত দিয়েছে তার এই পদত্যাগ৷ পদত্যাগের দুটি কারণ বলেছেন বিদায়ী শ্রমমন্ত্রী৷ জানিয়েছেন, সম্প্রতি সৎ-কন্যাকে হারিয়েছেন, দায়িত্ব ছেড়ে তার শোক সামাল দিতে চান৷ তবে সঙ্গে এ-ও বলেছেন, ‘‘আমার বিরুদ্ধে আক্রমণ চালানো হচ্ছে প্রকাশ্যে৷ দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হলো, আমাদের জোটের শরিক দলের ভেতর থেকেও এসেছে আক্রমণ এবং তা পরিস্থিতিকে অসহনীয় করে তুলেছে৷'' বারবেল বাস পদত্যাগের ঘোষণা দেয়ার পরই নতুন শ্রমমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে৷ সেই দায়িত্বে আসছেন জার্মানির পশ্চিমাঞ্চলের রাজ্য রাইনলান্ড-পালাটিনেটের সাবেক প্রধান মন্ত্রী আলেকজান্ডার শোয়াইৎসার৷
গত মাসে জার্মানির পূর্বাঞ্চলের রাজ্য নির্বাচনে কট্টর-ডানপন্থি দল অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি ( এএফডি ) জেতার পর থেকে ম্যার্ৎসের জোট সরকার চাপের মুখে রয়েছে৷ এএফডি মনে করে সেই জয় তাদের জন্য ২০২৯ সালের ফেডারেল নির্বাচন জয়ের পথে প্রথম পদক্ষেপ৷ অন্যদিকে জার্মানিতে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ছে৷ এ নিয়ে জনমনে দেখা দিচ্ছে হতাশা৷ সাম্প্রতিক জনমত জরিপ বলছে, জনপ্রিয়তা কমছে ম্যার্ৎস সরকারের৷ এই পরিস্থিতিতে বারবেল বাস-এর পদত্যাগ জোটের অনৈক্যকেও স্পষ্ট করলো৷ জার্মানির বিশাল সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার দেখভাল করতো বারবেল বাস-এর মন্ত্রণালয়৷ তাই চ্যান্সেলর ম্যার্ৎসের দল সিডিইউ-এর কিছু সদস্য সরকারের জনপ্রিয়তা হ্রাসের জন্য বারবেল বাসকে দায়ী মনে করেন৷ তাদের অভিযোগ - বারবেল অর্থনৈতিক সংস্কারে বাধা দিয়েছেন এবং এ কারণে পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়েছে৷ এসিবি/ জেডএইচ (রয়টার্স, এপি, এএফপি, ডিপিএ)


পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য সরাসরি প্রকাশিত হবে। অনুপযুক্ত মন্তব্য প্রশাসক সরিয়ে দিতে পারেন। ব্যক্তিগত বা গোপন তথ্য লিখবেন না।
এখনো কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মন্তব্যটি লিখুন।
মন্তব্য লিখুন