হত্যার অভিযোগে মার্কিন সেনাবাহিনীর এক সদস্যের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দৃশ্য ইন্টারনেটে সরাসরি সম্প্রচারের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর। এমন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষ। তেসরা ডিসেম্বর, সাবেক মার্কিন সেনা কর্মকর্তা মেজর নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। ফায়ারিং স্কোয়াড বা গুলি করে তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে, যা সরাসরি সম্প্রচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পেন্টাগন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের দাবি, এই দৃশ্য অনলাইনে সম্প্রচার করা হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ ঠেকাতে ভূমিকা রাখবে।
শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, তিনি এ পরিকল্পনাকে সমর্থন করেন। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া এখনো বাকি। পরিকল্পনা অনুযায়ী সম্প্রচার করা হলে, যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচারের এটাই হবে প্রথম ঘটনা। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের এমন দৃশ্য প্রকাশের সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন অনেকে। এ উদ্যোগের আইনগত বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কিন্তু কে এই নিদাল হাসান? কেন তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর সরাসরি সম্প্রচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন সরকার? যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার বাসিন্দা নিদাল হাসান সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও মনোরোগ চিকিৎসক।
হাসানের আইনজীবী জন গ্যালিগান বিবিসিকে জানান, এ সপ্তাহে পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্রের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি পোস্ট দেখে তিনিই প্রথম হাসানকে তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের তারিখের কথা জানান। গ্যালিগানের ভাষায়, পুরো ঘটনাটিকে 'কার্নিভাল' বা উৎসবের মতো করে তোলা হচ্ছে। তিনি বলেন, 'পুরোনো দিনে যে ধরনের গণপিটুনির মানসিকতা দেখা যেত, এটি তার সবচেয়ে কাছাকাছি।' ভার্জিনিয়ার বাসিন্দা নিদাল হাসান ২০০৯ সালের ৫ই নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে গুলি চালিয়ে ১৩ জন নিরস্ত্র সেনাকে হত্যা করেন। আহত হন আরও ৩২ জন।
ঘটনাটি ঘটে একটি সামরিক চিকিৎসাকেন্দ্রের ভেতরে, যেখানে তখন অনেক মানুষ ছিলেন। ২০১৩ সালে সামরিক আদালতে বিচার চলাকালে নিদাল হাসান বলেন, তার বিশ্বাস ছিল, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর হাত থেকে আফগানিস্তানের মুসলমান ও তালেবানকে রক্ষা করছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সামরিক ঘাঁটিতে যুদ্ধের বাইরে এ ধরনের হামলায় এত বেশি মানুষের মৃত্যুর ঘটনা আগে ঘটেনি। হামলার সময় হাসান নিজেও গুলিবিদ্ধ হন। বর্তমানে তিনি হুইলচেয়ারে চলাফেরা করেন। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচারে কারা দেখতে পারবেন, তা এখনো স্পষ্ট করে জানানো হয়নি।
এক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে কি না, সেটিও জানা যায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নিয়ম আলাদা। কারা এ দৃশ্য দেখতে পারবেন, সে বিষয়েও রাজ্য ভেদে রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন আইন। দেশটির সামরিক বাহিনীরও এ বিষয়ে নিজস্ব নিয়ম রয়েছে। কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় জনসাধারণের উপস্থিতি নিশ্চিত করার নিয়ম রয়েছে। অনেক অঙ্গরাজ্যে সাংবাদিকদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। কোথাও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি নিজে সাক্ষী হিসেবে কয়েকজনকে আমন্ত্রণ জানাতে পারেন। আবার কিছু অঙ্গরাজ্যে সাধারণ নাগরিকেরাও স্বেচ্ছায় সাক্ষী হওয়ার সুযোগ পান।
সামরিক বাহিনীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নিয়ম নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ১৯০-৫৫ নম্বর বিধিমালা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কয়েক শ্রেণির মানুষই মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় উপস্থিত থাকতে পারেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাংবাদিক ও দণ্ডিত ব্যক্তির স্বজনেরা। তবে ১৮ বছরের কম বয়সীদের সেখানে উপস্থিত থাকার অনুমতি নেই। নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচারের পরিকল্পনার সমালোচকেরা বলছেন, শিশুদের এ দৃশ্য দেখা থেকে বিরত রাখা কঠিন, এমনকি অসম্ভবও হতে পারে। সরাসরি সম্প্রচারের পাশাপাশি পরে ধারণ করা ভিডিও দেখার মাধ্যমেও শিশুরা এ দৃশ্য দেখতে পারে।
ফোর্ট হুডে হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া এক ব্যক্তি বিবিসিকে বলেন, তিনি নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচারের বিরোধী। তার আশঙ্কা, এ ধরনের সম্প্রচার তরুণদের কাছে ভুল বার্তা দিতে পারে। আলোনজো লান্সফোর্ড যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর সাবেক সার্জেন্ট। ওই হামলায় তাকে সাতবার গুলি করা হয়েছিল। তার মতে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দৃশ্য শুধু হামলার শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের দেখার সুযোগ দেওয়া উচিত। তিনি বলেন, "নিহত সেনাদের পরিবার, হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের পরিবার এবং যারা নিজেরা বেঁচে ফিরেছেন, তাদের ক্ষেত্রে আমি মনে করি, কোনো ধরনের সম্পাদনা বা দৃশ্য আড়াল না করেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দৃশ্য দেখার সুযোগ থাকা উচিত।"
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ইরানে জনসমক্ষে ১১টি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছিল। একই সময়ে আফগানিস্তানে আরও ছয়টি জনসমক্ষে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের তথ্য পাওয়া যায়। বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল ফলো করতে এখানে ক্লিক/ট্যাপ করুন নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচারের পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘ। শুক্রবার সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, এ ধরনের সম্প্রচার 'নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণ কিংবা শাস্তির যোগ্য' হতে পারে।
আন্তর্জাতিক আইনে এ ধরনের আচরণ নিষিদ্ধ। শুক্রবার নিউইয়র্কে এক সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘের মুখপাত্র স্তেফান দুজারিক বলেন, কোনো সরকার জনসমক্ষে কিংবা সরাসরি ক্যামেরার সামনে কাউকে মৃত্যুদণ্ড দেবে, এমন সম্ভাবনাই তার কাছে 'ঘৃণ্য'। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী কীভাবে বা কোথায় এ সম্প্রচার করবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। এ উদ্যোগে দেশটির আইন বা বিধিমালা লঙ্ঘিত হবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতিতে এ পরিকল্পনার বিরুদ্ধে আইনি চ্যালেঞ্জ আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে সরাসরি ভিডিও সম্প্রচারের সুবিধা নেই। তবে হোয়াইট হাউসের বিভিন্ন জনপ্রিয় অনলাইন মাধ্যমে সরকারি অ্যাকাউন্ট ও চ্যানেল রয়েছে। এসব মাধ্যমে সরাসরি ভিডিও সম্প্রচার করা যায়। এর মধ্যে রয়েছে মেটা, ইউটিউব, টিকটক ও এক্স। এসব মাধ্যমেই সহিংস দৃশ্য ও ভিডিও প্রকাশের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। মৃত্যু দেখানো, সহিংসতাকে উপভোগ্য কিংবা দর্শকদের বিনোদনের বিষয় হিসেবে তুলে ধরার ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ রয়েছে। ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক ও থ্রেডসের মালিক প্রতিষ্ঠান মেটা।
তাদের নীতিমালায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অন্যদিকে, গুগলের মালিকানাধীন ইউটিউবে এমন কোনো দৃশ্য বা ভিডিও প্রকাশ করা নিষিদ্ধ, যা দর্শকদের আতঙ্কিত বা বিতৃষ্ণ করতে সহিংসতা কিংবা রক্তাক্ত দৃশ্য দেখায়। তবে জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়বস্তুর ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমের সুযোগ থাকতে পারে বলে জানিয়েছে ইউটিউব। টিকটকেও এ ধরনের দৃশ্য প্রচারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির নীতিমালায় বলা হয়েছে, অতিমাত্রায় ভয়াবহ, সহিংস বা অস্বস্তিকর কোনো দৃশ্য প্রকাশ করা যাবে না। বিশেষ করে, যেসব দৃশ্য দর্শকদের মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করতে পারে, সেগুলো নিষিদ্ধ।
নিষিদ্ধ দৃশ্যের মধ্যে রয়েছে কারও মৃত্যুর মুহূর্ত এবং কোনো ব্যক্তিকে গুলি করার দৃশ্য। তবে দুই সপ্তাহ আগে টিকটক তাদের নীতিমালায় পরিবর্তন আনে। এতে জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট অতিমাত্রায় ভয়াবহ দৃশ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞায় সম্ভাব্য ব্যতিক্রমের সুযোগ রাখা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে গুলি করে অথবা বৈদ্যুতিক চেয়ারে বসিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অনুমতি রয়েছে। তবে দেশটিতে অধিকাংশ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় প্রাণঘাতী ওষুধের একাধিক উপাদান শরীরে প্রয়োগের মাধ্যমে। কিন্তু বর্তমানে এসব ওষুধের সরবরাহ কমে গেছে।
ওষুধ কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, অপব্যবহার হচ্ছে কি না- তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এসব ওষুধ সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে দণ্ডিত খুনি ক্রিস্টা পাইকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সাম্প্রতিক চেষ্টা ব্যর্থ হয়। কেন এ ঘটনা ঘটেছে, তা এখনো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় ব্যবহৃত ওষুধগুলোর মেয়াদ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পাইকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর দণ্ডিত বন্দীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিকল্প পদ্ধতি কী হতে পারে, তা নিয়ে ভাবছেন কর্মকর্তারা।
যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে ক্রিস্টা পাইকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পাঁচ দিন পর, ৫ই অক্টোবর পেন্টাগন জানায়, নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে। অর্থাৎ, গুলি করে তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ পরিকল্পনায় সম্মতি দিয়েছেন। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচারের বিষয়েও তিনি সমর্থন জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এ সম্প্রচার হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, বিষয়টি ঘটবে কি না, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন।
তবে সম্প্রচার করা হলেও সেটি দেখার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন জেডি ভ্যান্স। যুক্তরাষ্ট্রে সর্বশেষ জনসমক্ষে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় রস্কো 'রেড' জ্যাকসনের। দেশটির মৃত্যুদণ্ডসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহকারী সংস্থা ডেথ পেনাল্টি ইনফরমেশন সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের একটি ভবনের ভেতরে প্রায় ৫০০ মানুষের উপস্থিতিতে তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রে জনসমক্ষে বহুল আলোচিত সর্বশেষ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় ১৯৩৬ সালে, কেন্টাকি অঙ্গরাজ্যে। ধর্ষণের দায়ে দণ্ডিত রেইনি বেথিয়াকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন আনুমানিক ২০ হাজার মানুষ।
১৯৬১ সালে ১১ বছর বয়সী এক অস্ট্রীয় শিশুকে ধর্ষণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর এক সদস্যকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ দিকে ১৯৪৫ সালের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর এক তরুণ পলাতক সৈনিককে ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে, ১৯৬১ সালের পর সেটিই হবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকর। আর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে এটিই হবে দেশটিতে প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা।


পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য সরাসরি প্রকাশিত হবে। অনুপযুক্ত মন্তব্য প্রশাসক সরিয়ে দিতে পারেন। ব্যক্তিগত বা গোপন তথ্য লিখবেন না।
এখনো কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মন্তব্যটি লিখুন।
মন্তব্য লিখুন