বেগম জিয়া আর নেই- মিডিয়াতে প্রকাশ করতে দিচ্ছেনা অর্ন্তবর্তীকালীন সরকার, এভার কেয়ার হসপিটালে বিপুল পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা বাহীনি মোতায়েন

Untitled 1
print news

আজ রাত ১২.২৫ মিনিটে না ফেরার দেশে চলে গেলেন বেগম জিয়া। তিন ঢাকার এভারকেয়ার হসপিটালে চিকিৎসাধীন ছিলেন কিন্তু একে একে তার ভিবিন্ন অর্গান কাজ করা বন্ধ করে দেয় তরিঘরি করে তাকে নিভির পর্যবেক্ষণে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। হসপিটাল সূত্রে নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একজন কর্মকতা জানান বেগম জিয়া আর জীবিত নেই । এটি মিডিয়াতে প্রকাশ করতে অন্তর্বতীকালীন সরকার থেকে অনেক চাপ দিচ্ছে যেন এটা প্রকাশ না করা হয় । সরকারে একজন কর্মকর্তা বলেন আপনারা বেগম জিয়াকে সিসিউতে ভর্তি করে রাখেন বাকিটা আমরা দেখবো।
খালেদা জিয়াকে এভাকেয়ার হসপিটালে দেখে এসে মঈন খান বলেন হসপিটাল থেকে বোর্ড বসেছেন পর্যালোচনা করছেন, কিন্তু তারা চেষ্টার কোন কিছু শেষ রাখেন নি। যখন তিনি গণমাধ্যমকে এ কথা বলছিলেন তখন তার চেহারায় কোন একটা কষ্ট এবং চাপ ফুটে ওঠেছে।
ইতিমধ্যে বিএনপির মধ্যে বেগম জিয়ার মৃত্যুর খবরটি ছড়িয়ে পড়লে নেতা কর্মীরা হসপিটালে যেন না ভীড় বা মিছিল করতে না পারে তার জন্য অতিরিক্ত পুলিশ এবং সেনাবাহীনি মোতায়েন করেছে অন্তবর্তীকালীন সরকার।
এই দিকে মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান আমাদেরকে বেগম জিয়ার কোন আপডেট নিতে দিচ্ছে না আমরা বিস্মিত ।
রুহুল কবির রিজবী বলেন আমরা দেখা করতে গেলে আমাদেরকে শর্ত দিয়ে প্রবেশ করতে দিচ্ছে এবং বাহিরে  এসে কোন কথা বলা যাবে না এ ধরনে হুমকি দিচ্ছে সরকারের গোয়েন্দা সংস্থ্যা।
বেগম জিয়ার জন্ম আগস্ট ১৫, ১৯৪৫ (যদিও এটি নিয়ে তীব্র সমালোচনা রয়েছে) দিনাজপুরে তিনি জন্ম গ্রহণ করেন। তিন বোন এবং দুই ভাইয়ের মধ্যে তিনি তৃতীয়। ভাইয়েরা সবার ছোট। তার পিতামহ হাজী সালামত আলী, মাতামহ জলপাইগুড়ির তোয়াবুর রহমান।বাবা জনাব ইস্কান্দর মজুমদার এবং মা বেগম তৈয়বা মজুমদার। দিনাজপুর শহরের মুদিপাড়া। আদি পৈতৃকনিবাস ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের মজুমদার বাড়ী। বাবা জনাব ইস্কান্দর মজুমদার ছিলেন একজন ব্যবসায়ী। ইস্কান্দার মজুমদার ১৯১৯ সালে ফেনী থেকে জলপাইগুড়ি যান। বোনের বাসায় থেকে মেট্রিক পাস করেন ও পরে চা ব্যবসায়ে জড়িত হন। ১৯৩৭ সালে জলপাইগুড়িতে বিয়ে করেন। জলপাইগুড়ির নয়াবস্তি এলাকায় ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত বসবাস করেন এবং ১৯৮৪ সালের ১৫ নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। মা বেগম তৈয়বা মজুমদার ছিলেন একান্তভাবে একজন গৃহিণী । তিনি বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গেই থাকতেন।  খালেদা পাঁচ বছর বয়সে দিনাজপুরের মিশন স্কুলে ভর্তি হন এরপর তিনি দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৬০ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন একই বছর তিনি জিয়াউর রহমানকে বিয়ে করেন।