কুমিল্লা  উত্তর জেলায় রাজনৈতিক গ্রেপ্তারে সাংবাদিক এম হাসান জড়িত

20251124 201205
print news

কুমিল্লা উত্তর জেলার একাধিক আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় সাংবাদিক এম হাসানকে মূল হোতা হিসেবে অভিযোগ করা হয়েছে।

স্থানীয় একাধিক লোকের দাবি, তিনি নিরপরাধ ব্যক্তিদের “আওয়ামী লীগ” তকমায় গ্রেপ্তার করানোর জন্য এসপি নাজির আহমেদ খানকে তথ্য সরবরাহ করে সহযোগিতা করেছেন। এছাড়া, তার রাজনৈতিক আদর্শ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে —সে কখনো জামাতের এজেন্ট, কখনো বিএনপির মুখপাত্র, আবার সুযোগ বুঝে আওয়ামী লীগের আশ্রয়প্রার্থী।

বর্তমানে তিনি ‘আমার দেশ’ পত্রিকার কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি এবং অর্থের বিনিময়ে কম্পিউটার অপারেটর থেকে সাংবাদিকতায় এসেছেন যা অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

তিনি কুমিল্লায় ‘আমার দেশ’ পাঠকমেলা কর্তৃক আয়োজিত জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সঞ্চালনাও করেছিলেন।
পেশাগত যোগ্যতা: “কম্পিউটার অপারেটর থেকে অর্থের বিনিময়ে সাংবাদিকতা” – যা পেশাদার সাংবাদিকতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছেন।

অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় এনে অনুসন্ধান চালিয়ে দেখা যায়:
গ্রেপ্তার সংক্রান্ত সরাসরি যোগসূত্র: আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারে সাংবাদিক এম হাসানের সরাসরি তথ্য প্রদান রয়েছে কিছুদিন পূর্বে আখলাক হায়দারকে গ্রেফতার করিয়েছেন হাসান এসপি নাজির আহমেদ খানকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। শুধু তাই নয় টাকার বিনিময়ে যে কাউকে আওয়ামী লীগের কর্মী বানিয়ে গ্রেফতার বাণিজ্যে সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন, জড়িত রয়েছে পুলিশের একাধিক অফিসার।
জানাযায় হাসান এসপিকে ভুল তথ্য দিয়ে নিরীহ লোকদের গ্রেপ্তার করিয়েছেন, তবে এটি সাংবাদিকতার নীতি ও ক্ষমতার ভয়াবহ অপব্যবহার।

উক্ত বিষয়ে জানতে চাইলে কুমিল্লা জেলার এসপি নাজির আহমেদ খান কে একাধিকবার ফোন দিলে তিনি ফোনটা রিসিভ করেননি।
এত এত অভিযোগের বিষয় জানতে চাইলে আমার দেশ কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি এম হাসানকে ফোন দিলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।