
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ গভীর শোক ও ক্ষোভের সঙ্গে জানাচ্ছে যে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার লাকসাম উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আল আমিন হোসেন রায়হান কে গতকাল ঢাকাস্থ নিজ বাসায় যে নৃশংস ও বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে শেষ করে দেওয়া হয়েছে, তা কেবল ব্যক্তিগত শত্রুতা নয়; এটি একটি পরিকল্পিত রাষ্ট্র–পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিয় রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের দৃঢ় বিশ্বাস শহীদ রায়হানকে কেবলমাত্র ছাত্রলীগের সক্রিয় রাজনীতি, দেশমাতৃকার পক্ষে ঐকান্তিক অবস্থান এবং স্বাধীনতার চেতনায় অবিচল থাকার জন্যই টার্গেট করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে রয়েছে বর্তমান অবৈধ, অসাংবিধানিক ও দখলদার খুনি ইউনূস সরকারের সরাসরি সায়, সক্রিয় অনুমোদন এবং পৃষ্ঠপোষকতা।
আজ দেশজুড়ে যে হত্যাযজ্ঞ, অপহরণ, গুম, হয়রানি ও রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের বিষাক্ত বাতাবরণ তৈরি করা হয়েছে তা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং ছাত্রলীগের মতো দেশপ্রেমিক শক্তিকে দমিয়ে রাখতে দখলদার সরকারের পরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের ধারাবাহিকতা। প্রতিদিন আমাদের নেতাকর্মীরা বিচারহীনতা, ভয়াবহ দমন-পীড়ন এবং রাষ্ট্রীয় ক্রসফায়ারের মতো অমানবিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। এ দেশে এখন ন্যায়বিচারের শব্দটাই প্রায় বিলীন।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করছে এই রক্তের হিসেব নেয়া হবে। এই হত্যার প্রতিটি ষড়যন্ত্রকারী, পরিকল্পনাকারী ও বাস্তবায়নকারীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে ছাত্রলীগ কোনো মূল্যেই পিছপা হবে না।
একই সঙ্গে আমরা দেশবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই এই শোককে আমরা প্রতিরোধের শক্তিতে রূপান্তর করবো, ফ্যাসিজম ও মাফিয়াতন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে বসে থাকা অবৈধ সরকারের পতন ঘটিয়েই শহীদ রায়হানের আত্মদানকে সার্থক করবো।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।